ঋণ হলো ধার করা অর্থ ফেরত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা, সাধারণত সুদসহ এবং কখনো কখনো ফিসহ। প্রকৃত খরচ নির্ভর করে ধার করা অর্থের পরিমাণ, পরিশোধের মেয়াদ, সুদ গণনার পদ্ধতি, চার্জ এবং দেরির পরিণতির ওপর। জামানতযুক্ত ঋণ কোনো সম্পদ বা অন্য জামানতের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যেমন বাড়ি, যানবাহন, সোনা বা সম্পত্তি। ঋণ পরিশোধ না করলে সেই জামানত ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। অনেক ব্যক্তিগত ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের বকেয়ার মতো জামানতবিহীন ঋণে নির্দিষ্ট কোনো সম্পদ বন্ধক থাকে না। তবুও এর ফলে আদায়ের ব্যবস্থা, ক্রেডিট রেকর্ডের ক্ষতি এবং গুরুতর আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। সমান মাসিক কিস্তিতে (Equated Monthly Instalment, EMI) নির্ধারিত মূলধন ও সুদের পরিশোধ একত্রে থাকে। EMI কম হলেই ঋণ সস্তা হয় না, কারণ দীর্ঘ মেয়াদে মোট পরিশোধের পরিমাণ বাড়তে পারে। ঋণদাতারা আয়, বিদ্যমান দায়, নথিপত্র, হিসাবের লেনদেন, জামানত এবং ক্রেডিট ইতিহাস দেখে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাই করেন। ক্রেডিট ব্যুরো ঋণের রেকর্ড রাখে, আর কিস্তি বাদ পড়া বা দেরিতে দেওয়া ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। আত্মীয়, নিয়োগকর্তা, ব্যবসায়ী বা স্থানীয় ঋণদাতার কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিক ঋণ দ্রুত ও নমনীয় হতে পারে, কিন্তু অস্পষ্ট রেকর্ড বিরোধ বা গোপন চাপ তৈরি করতে পারে। পক্ষগুলো পরস্পরকে চিনলেও ঋণের পরিমাণ, খরচ, পরিশোধের তারিখ ও জামানতের বিবরণ লিখে রাখা উচিত। পুরোনো কিস্তি বা দৈনন্দিন খরচ মেটাতে নতুন ঋণ নেওয়া হলে প্রায়ই ঋণসংকট শুরু হয়। ফোন, নোটিশ বা বাদ পড়া কিস্তি উপেক্ষা করার চেয়ে শুরুতেই ঋণদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করা সাধারণত বেশি কাজে আসে। ভুয়া ঋণ-অ্যাপ, অগ্রিম ফি দাবি, ফোনের পরিচিতিদের তথ্য নেওয়া, ফাঁকা নথিতে সই এবং তাড়াহুড়ো করে সই করানোর চাপ থেকে ঋণগ্রহীতাদের সতর্ক থাকা উচিত। বৈধ প্রস্তাব হলেও তা যাচাই করে সম্পূর্ণ লিখিত চুক্তি নেওয়া দরকার।
ভারতে ঋণ
ভারতে ঋণের মধ্যে ব্যাংক, অর্থায়ন সংস্থা, সমবায়, নিয়োগকর্তা, ব্যবসায়ী, ডিজিটাল পরিষেবা বা ব্যক্তিগত পরিচিতদের কাছ থেকে ধার করা অর্থ অন্তর্ভুক্ত। ঋণ পরিশোধ প্রায়ই সমান মাসিক কিস্তিতে (Equated Monthly Instalment, EMI) সাজানো হয়। ধার নেওয়া উপকারী লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করতে পারে, তবে অস্পষ্ট শর্ত বা অসাধ্য কিস্তি পুরো পরিবারের বাজেট ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

