মিয়ানমারে বন্ধুত্ব

মিয়ানমারে বন্ধুত্ব হলো স্বাধীনভাবে বেছে নেওয়া, অপ্রেমমূলক সম্পর্ক, যা বারবার যোগাযোগ, যৌথ কাজ, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সহায়তায় গড়ে ওঠে। মানুষ স্কুল ও শেখার স্থান, খেলাধুলা, কাজ ও প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী, কমিউনিটি বা ধর্মীয় নেটওয়ার্ক, বাস্তুচ্যুত ও আশ্রয়দাতা কমিউনিটি এবং ডিজিটাল কমিউনিটির মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে ও বজায় রাখে। বন্ধুত্বের জন্য জাতীয় নিবন্ধন, আবেদন, বয়সসীমা বা প্রমাণের শর্ত নেই; তবে নিরাপদ যোগাযোগের সুযোগ স্থান, ভাষা, নিরাপত্তা, বাস্তুচ্যুতি ও যোগাযোগ-সেবার ওপর নির্ভর করে।

VivAVia can make mistakes. Check important information.