ইসলাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি ধর্ম এবং জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মসজিদ, নামাজ, দান-খয়রাত, রোজা ও ধর্মীয় অভিবাদন দৈনন্দিন জীবনে চোখে পড়ে। মুসলমানরা দিনে নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ পড়েন, আর আজান নামাজের সময় ঘোষণা করে। ব্যক্তিভেদে ধর্মাচরণের ধরন আলাদা; সব মুসলমান একইভাবে একই রুটিন অনুসরণ করেন না। জুমার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, কারণ এ সময় জামাতে মধ্যাহ্নের নামাজ হয়। নামাজ ও পরিবারের সময় বিবেচনায় রেখে কাজ, যাতায়াত, সাক্ষাৎ ও অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হতে পারে। রমজান ইসলামি বর্ষপঞ্জির রোজা ও আধ্যাত্মিক মননের মাস। অনেক মুসলমান ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাবার ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন, সন্ধ্যায় ইফতার করেন এবং নামাজ ও দানের দিকে আরও মনোযোগ দেন। ঈদুল ফিতর রমজানের সমাপ্তি নির্দেশ করে, আর ঈদুল আজহা হজ ও কোরবানির সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব উপলক্ষে নামাজ, পারিবারিক সাক্ষাৎ, আতিথেয়তা, উপহার এবং দান-খয়রাত প্রচলিত। মসজিদে সাধারণত শালীন পোশাক, নীরব আচরণ, পরিচ্ছন্নতা এবং জুতা ও দর্শনার্থীদের এলাকার নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। প্রবেশাধিকার ও ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে, তাই প্রবেশের আগে খোঁজ নিন। জনসংখ্যার মধ্যে অনেক অমুসলিম সম্প্রদায়ও রয়েছে। গির্জা, মন্দির, গুরুদ্বার এবং অনুমোদিত অন্যান্য উপাসনালয় বাসিন্দাদের সেবা দেয়; পরিবারগুলো বাড়িতেও ধর্ম পালন করতে পারে। মানুষ উপহাস, চাপ, গৎবাঁধা ধারণা এবং অনধিকার প্রশ্ন এড়ালে ধর্মীয় সহাবস্থান ভালো থাকে। উপাসনার ছবি তোলা, ছবি শেয়ার করা বা কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে অনুমতি চাওয়া বিশেষভাবে জরুরি। ধর্ম সম্প্রদায়, নৈতিক দিকনির্দেশনা, দান ও অন্তর্ভুক্তির অনুভূতি দিতে পারে, তবে প্রত্যেকে বিশ্বাসকে ভিন্নভাবে অনুভব করেন। সাংস্কৃতিক রীতি, পারিবারিক চর্চা ও ধর্মীয় শিক্ষা একে অন্যের সঙ্গে মিশতে পারে, কিন্তু এগুলো এক নয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ধর্ম
সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনজীবনে ইসলাম কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে এবং ক্যালেন্ডার, দৈনন্দিন ছন্দ, মূল্যবোধ ও অনেক সামাজিক রীতিকে প্রভাবিত করে। মুসলমানরা বিভিন্ন ঐতিহ্য অনুসরণ করেন, আর বাসিন্দাদের মধ্যে খ্রিস্টান, হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও রয়েছেন। সম্মানজনক আচরণ শুরু হয় স্থানীয় রীতি লক্ষ্য করা এবং মানুষকে নিজেদের বিশ্বাস ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

