যুক্তরাজ্যে দেওয়ানি আইন বলতে সাধারণত ফৌজদারি আইনবহির্ভূত আইন এবং দেওয়ানি আদালতের কার্যপ্রণালিকে বোঝায়। এর অর্থ এই নয় যে পুরো দেশ একটি একক মহাদেশীয় ধাঁচের দেওয়ানি বিধি অনুসরণ করে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস, স্কটল্যান্ড এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের দেওয়ানি বিচারব্যবস্থা আলাদা। স্কটল্যান্ডে এমন ক্ষেত্রে ‘ডেলিক্ট’ (delict) শব্দটি ব্যবহৃত হতে পারে, যেসব ক্ষেত্রে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সাধারণত ‘টর্ট’ (tort) বলা হয়; আদালতের নাম ও পদ্ধতিও ভিন্ন। চুক্তিসংক্রান্ত বিরোধে এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, যেগুলোকে আইন বাধ্যতামূলক বলে স্বীকার করে। সাধারণ প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে কী বিষয়ে সম্মতি হয়েছিল, কোনো শর্ত ভঙ্গ হয়েছে কি না, তার ফলে কী ক্ষতি হয়েছে এবং কোন প্রতিকার উপযুক্ত। চুক্তির বাইরে কোনো দেওয়ানি অন্যায় থেকেও ক্ষতির দায় তৈরি হতে পারে। উদাহরণের মধ্যে রয়েছে অবহেলা, সম্পত্তির ক্ষতি, উপদ্রব, মানহানি এবং নির্দিষ্ট সুরক্ষিত অধিকারে হস্তক্ষেপ; তবে সুনির্দিষ্ট নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। সম্পত্তি ও আবাসনসংক্রান্ত বিরোধ মালিকানা, সীমানা, ইজারা, দখল, মেরামত বা সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার নিয়ে হতে পারে। পারিবারিক ও উত্তরাধিকারসংক্রান্ত বিষয়ও দেওয়ানি বিষয়, তবে সেগুলোর জন্য প্রায়ই বিশেষায়িত আদালত ও পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। সাধারণত দাবিদার অর্থ, কোনো বাধ্যবাধকতা পালন, সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, অথবা কোনো কাজ বন্ধ করার নির্দেশের মতো প্রতিকার চান। কোনো প্রতিকারের পক্ষে যথেষ্ট ভিত্তি না থাকলে, তা অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে বা দাবি আনতে অতিরিক্ত দেরি হলে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। দেওয়ানি দাবি দায়েরকারী ব্যক্তিকে সাধারণত দেওয়ানি প্রমাণের মানদণ্ডে নিজের মামলা প্রতিষ্ঠা করতে হয়। দুই পক্ষকেই নথি প্রকাশ করতে, সাক্ষীর সাক্ষ্য দিতে এবং আদালতের কার্যপ্রণালিগত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হতে পারে। আলোচনা, মধ্যস্থতা, অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সমঝোতার পদ্ধতিতে সময়, খরচ ও মানসিক চাপ কমতে পারে। আদালত যে আদেশ দিতে পারবেন না, সমঝোতার মাধ্যমে তেমন বাস্তবসম্মত সমাধানও হতে পারে। দেওয়ানি মামলায় ফি, আইনি খরচ, বিলম্ব, রায় কার্যকর করার সমস্যা এবং অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। শুরুতেই প্রমাণ, সময়সীমা, অন্য পক্ষের আদেশ পালন করার সামর্থ্য এবং বিরোধটি এগিয়ে নেওয়া সার্থক কি না—এসব বিবেচনা করা উচিত।
যুক্তরাজ্যে দেওয়ানি আইন
যুক্তরাজ্যে দেওয়ানি আইন মূলত ব্যক্তি, ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের অধিকার এবং তাদের মধ্যকার বিরোধ নিয়ে কাজ করে। এর আওতায় চুক্তি, সম্পত্তি, ঋণ, ব্যক্তিগত আঘাত, পারিবারিক বিষয় এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিপূরণ রয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস, স্কটল্যান্ড এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডে দেওয়ানি আদালত ও পদ্ধতি আলাদা; কিছু আইনি ধারণাও ভিন্ন।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

