যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ অঞ্চলে ইংরেজি প্রধান অভিন্ন ভাষা, তবে এর উচ্চারণ ও উপভাষা অনেক রকম। অল্প দূরত্বের মধ্যেই শব্দভান্ডার, উচ্চারণ, ছন্দ ও ব্যাকরণে লক্ষণীয় পরিবর্তন হতে পারে। ওয়েলশ একটি জীবন্ত ভাষা, যা বিশেষত ওয়েলসে বাড়ি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, জনজীবন ও গণমাধ্যমে ব্যবহৃত হয়। স্কটিশ গ্যালিক, আইরিশ ও স্কটসের ইতিহাস, রূপ ও সম্প্রদায় আলাদা; এগুলোকে একটি ভাষার সংস্করণ ভাবা উচিত নয়। ব্রিটিশ সাংকেতিক ভাষা, সাধারণত সংক্ষেপে BSL বলা হয়, নিজস্ব ব্যাকরণসহ একটি দৃশ্যভিত্তিক ভাষা। এটি কেবল হাতে বলা ইংরেজি নয় এবং অনেক বধির মানুষের ও সম্প্রদায়ের জীবনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে। অভিবাসনের ফলে দৈনন্দিন জীবনে বহু সম্প্রদায়ের ভাষা যুক্ত হয়েছে। বহুভাষিক পরিবার, দোকান, স্কুল, কর্মক্ষেত্র, সাংস্কৃতিক দল ও উপাসনালয় শহর ও নগরের স্বাভাবিক অংশ। ব্রিটিশ ইংরেজিতে প্রায়ই পরোক্ষ অনুরোধ, ছোট করে বলা, রসিকতা ও স্থানীয় অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়। ভদ্র কোনো বাক্যে দ্বিমত বা জরুরি ভাব থাকতে পারে, তাই ভাষাশিক্ষার্থীদের স্বর ও পরিস্থিতির দিকে খেয়াল রাখা ভালো। উচ্চারণ বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা বা বিশ্বাসযোগ্যতার মাপকাঠি নয়। মানুষ স্থানীয় উচ্চারণ বজায় রাখতে পারেন, ভিন্ন পরিবেশে কথার ধরন বদলাতে পারেন অথবা কয়েকটি ভাষা ব্যবহার করতে পারেন; কোনো একটি পছন্দই অন্যটির চেয়ে কম গ্রহণযোগ্য নয়। স্পষ্ট যোগাযোগের জন্য সহজ ভাষা, পুনরাবৃত্তি, লিখিত তথ্য, অনুবাদ, দোভাষী, ক্যাপশন বা সাংকেতিক ভাষায় সহায়তা লাগতে পারে। শ্রবণশক্তির সমস্যাই প্রকৃত সমস্যা না হলে জোরে কথা বলায় ভাষার বাধা দূর হয় না। ভাষা সুযোগ, আপনত্ব ও পরিষেবায় প্রবেশাধিকার দেয়, তবে তা বর্জনের কারণও হতে পারে। স্থানীয় ভাষার মর্যাদা রাখার পাশাপাশি সবাই যাতে জরুরি তথ্য বুঝতে পারে তাতে সাহায্য করলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়ে।
যুক্তরাজ্যে ভাষা
যুক্তরাজ্যে ভাষার বৈচিত্র্য প্রচলিত ব্রিটিশ ইংরেজির চেয়ে অনেক বেশি। ইংরেজি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও ওয়েলশ, স্কটিশ গ্যালিক, আইরিশ, স্কটস, ব্রিটিশ সাংকেতিক ভাষা, আঞ্চলিক উপভাষা ও সম্প্রদায়ের ভাষাও জীবন ও পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

