সম্পর্ক যুক্তরাজ্যে

যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের মধ্যে পারিবারিক বন্ধন, বন্ধুত্ব, রোমান্টিক সম্পর্ক, পরিচিতি এবং একটি সম্প্রদায়ের ভেতরের সংযোগ অন্তর্ভুক্ত। এগুলো সাধারণত আস্থা, একসঙ্গে কাটানো সময়, পারস্পরিক সম্মান এবং স্পষ্ট যোগাযোগের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। মানুষ, পরিবার, অঞ্চল ও সংস্কৃতি অনুযায়ী রীতিনীতি ভিন্ন হয়।

পরিবার

যুক্তরাজ্যে পরিবার বলতে আত্মীয়স্বজন, একই বাড়িতে থাকা মানুষ, অথবা যারা একে অপরের যত্ন নেন ও আপনজনের মতো সম্পর্ক গড়ে তোলেন—তাঁদের বোঝাতে পারে। পরিবারে একজন বা দুজন অভিভাবক, সন্তান, সৎ-আত্মীয়, দত্তক নেওয়া আত্মীয়, পালক পরিবার, বিস্তৃত আত্মীয়গোষ্ঠী, অথবা সন্তানহীন দম্পতি থাকতে পারেন। দেশের সবার প্রতিনিধিত্ব করে—এমন একটিমাত্র পারিবারিক ধরন নেই।

পরিচিতজন

যুক্তরাজ্যে পরিচিতজন হলেন এমন ব্যক্তি, যাদের আপনি চেনেন, কিন্তু এখনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু মনে করেন না। তাঁরা প্রতিবেশী, সহকর্মী, সহপাঠী, অন্য অভিভাবক, ক্লাবের সদস্য বা কমিউনিটির পরিচিত মানুষ হতে পারেন। এই হালকা সম্পর্কগুলো দৈনন্দিন জীবনকে বন্ধুত্বপূর্ণ করতে পারে এবং কখনো বন্ধুত্বে পরিণত হতে পারে।

বন্ধুত্ব

যুক্তরাজ্যে বন্ধুত্ব সাধারণত একসঙ্গে সময় কাটানো, বিশ্বাস, রসবোধ, যত্ন এবং নির্ভরযোগ্য আচরণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। বন্ধুরা একে অপরকে বন্ধু, ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা ‘মেট’ বলতে পারেন, যদিও এই শব্দগুলোর অর্থ ভিন্ন হতে পারে। প্রতিদিন দেখা না হলেও বন্ধুত্ব গভীর হতে পারে।

প্রেমের সম্পর্ক

যুক্তরাজ্যে প্রেমের সম্পর্ক ডেটিংয়ের মাধ্যমে শুরু হয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সঙ্গিত্ব, একসঙ্গে বসবাস, সিভিল পার্টনারশিপ বা বিয়েতে গড়াতে পারে। দম্পতিরা সঙ্গী, প্রেমিক, প্রেমিকা, স্বামী বা স্ত্রী এবং সিভিল পার্টনারসহ নানা পরিচয় ব্যবহার করেন। সম্পর্কের ধরন স্বাধীনভাবে বেছে নেওয়া উচিত এবং এতে জড়িত প্রত্যেকের কাছে তা স্পষ্ট হওয়া উচিত।

VivAVia can make mistakes. Check important information.