বাংলা পেশা (pesha) শব্দের অর্থ occupation এবং পেশাজীবী বলতে professional বোঝায়। বাংলাদেশে প্রচলিত পেশাগোষ্ঠীর মধ্যে আছে কৃষিকাজ, মৎস্য ও বনজ কাজ; পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও জুতা উৎপাদন; নির্মাণ, হালকা প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ; খুচরা বিক্রি, পরিবহন, সরবরাহ, হোটেল ও রেস্তোরাঁ; তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং ও ব্যবসায়িক প্রক্রিয়াসেবা; স্বাস্থ্যসেবা; শিক্ষকতা; জনপ্রশাসন; অর্থ; আইন; হিসাবরক্ষণ; গৃহস্থালি ও পরিচর্যার কাজ; মেরামত এবং পথবাণিজ্য। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ ২০২২ অনুযায়ী, ১৫ বছর ও তার বেশি বয়সী কর্মীদের মধ্যে কৃষিতে ৪৫.৪%, সেবায় ৩৭.৬% এবং শিল্পে ১৭.০% নিয়োজিত ছিলেন। পেশাগত শ্রেণির মধ্যে দক্ষ কৃষি, বন ও মৎস্যকাজে ৪৩.৪%, কারুশিল্পে ১৪.২%, সেবা ও বিক্রিতে ১৩.৭%, প্রাথমিক কাজে ১০.০% এবং কারখানা, যন্ত্র ও সংযোজন কাজে ৭.৬% ছিলেন; পেশাজীবীদের হার ছিল ৪.৮%। কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৪.৯% ছিল অনানুষ্ঠানিক; তাই আনুষ্ঠানিক নিয়োগকর্তা, স্বনিয়োজন, পারিবারিক কাজ ও দৈনিক কাজের ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার, সুরক্ষা এবং নথিপত্রে বড় পার্থক্য থাকতে পারে।
বাংলাদেশে পেশা
বাংলাদেশে কৃষি, উৎপাদন, সেবা, জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থ, আইন ও তথ্যপ্রযুক্তিতে নানা পেশা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি কর্মী কৃষি ও সেবা খাতে; তৈরি পোশাক, নির্মাণ, বাণিজ্য, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ কর্মপথ। একাডেমিক যোগ্যতা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কর্মক্ষেত্রে শেখা, শিক্ষানবিশি বা অনানুষ্ঠানিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পেশায় প্রবেশ করা যায়। কিছু পেশায় নির্দিষ্ট পেশাগত সংস্থার নিবন্ধন, পরীক্ষা বা লাইসেন্স লাগে; বহু পেশার জন্য একক জাতীয় লাইসেন্সিং ব্যবস্থা নেই।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

