প্রাচীন প্রমাণের মধ্যে রয়েছে বাদাহ-লিন গুহা, আনুমানিক ৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ন্যাউং-গান ব্রোঞ্জ যুগের প্রত্নস্থল, আনুমানিক ৭১০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের তাউংথামান প্রারম্ভিক লৌহ যুগের প্রমাণ এবং আনুমানিক ৫৩০–৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ইয়ওয়াথিতকোনের নিদর্শন। প্রায় ৪ কোটি বছর আগের পন্ডাউঙ্গিয়ার মতো জীবাশ্ম জীবাশ্মবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত; সেগুলো একা মানব ইতিহাসের প্রমাণ নয়। আনুমানিক ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত হালিন, বেইকথানো ও শ্রীক্ষেত্রের মতো পিউ নগর-রাষ্ট্রে সুরক্ষিত বা প্রাচীরবেষ্টিত নগর, জলব্যবস্থা, নিবিড় কৃষি, দূরপাল্লার বাণিজ্য, বৌদ্ধকেন্দ্র, শিলালিপি ও বস্তুগত সংস্কৃতি বিকশিত হয়। UNESCO আংশিক খনন করা তিনটি প্রাচীন পিউ নগরকে স্বীকৃতি দিয়েছে; প্রত্নতত্ত্ব ও জাতীয় জাদুঘর বিভাগ প্রত্নতাত্ত্বিক সুরক্ষা ও প্রশাসনের বড় অংশ পরিচালনা করে। একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতকের মধ্যে বাগান একটি প্রধান আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হয়। আনাওরাহতা ১০৪৪ থেকে ১০৭৭ সাল পর্যন্ত শাসন করেন, আর ইরাবতী করিডর রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক সংহতিকে সহায়তা করে। বাগানে নথিভুক্ত স্মৃতিস্তম্ভের সংখ্যা ৩,৫৯৫; পুণ্য অর্জনের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিল। বাগানের পর উচ্চ মিয়ানমারে মেইনসেইং, পিনইয়া, সাগাইং ও আভা বা ইনওয়া বিকশিত হয়; অন্যদিকে হান্থাওয়াড্ডি বা বাগো, শান রাজ্যসমূহ এবং রাখাইন বা আরাকান নিজস্ব ধারায় এগোয়। আভা–হান্থাওয়াড্ডি সংঘাত প্রায় চল্লিশ বছর স্থায়ী হয়। ম্রাউক-উ, যাকে মিয়াউক-উ-ও বলা হয়, পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতকে বঙ্গোপসাগরীয় বাণিজ্য এবং বৌদ্ধ, মুসলিম ও খ্রিস্টান যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত একটি কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ষোড়শ শতকে তাবিনশ্বেহতি ও বেইন্নাউংয়ের অধীনে তাউংগু বা তাউঙ্গু যুগ বিস্তৃত হয়। করদ ও অধীনতামূলক শাসনব্যবস্থা থাকলেও এতে অঞ্চলগুলো যথেষ্ট স্বায়ত্তশাসন পেত। ন্যাউংইয়ান রাজবংশ ১৬০০ থেকে ১৭৫২ সাল পর্যন্ত আভা থেকে শাসন করে। ১৭৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত কনবাউং রাজবংশ প্রচলিত ঐতিহাসিক কালবিভাজন অনুযায়ী তৃতীয় মিয়ানমার রাজ্য গঠন করে এবং আলাউংপায়ার পুনরেকত্রীকরণের পর বিস্তৃত হয়। দরবার, মঠ, করব্যবস্থা, সামরিক বাহিনী ও সীমান্ত অঞ্চলের ইতিহাস দেখায়, কেন এসব রাজ্যকে অতীতের ওপর আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের ধারণা চাপিয়ে বর্ণনা করা উচিত নয়। তিনটি অ্যাংলো-বর্মি যুদ্ধ হয় ১৮২৪–১৮২৬, ১৮৫২ এবং ১৮৮৫ সালে। ব্রিটেন পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন অঞ্চল সংযুক্ত বা অধীনস্থ করে; ১৮৮৬ সাল থেকে বর্মা ব্রিটিশ ভারতের অংশ হিসেবে শাসিত হয়। ১৯৩৭ সালে পৃথক প্রশাসন শুরু হয়। ঔপনিবেশিক ভূমিব্যবস্থা, শ্রম অভিবাসন, ভারতের সঙ্গে সংযোগ, বর্ণভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ, সীমান্ত প্রশাসন ও প্রতিরোধ সমাজকে নতুনভাবে গড়ে তোলে। জাপান ১৯৪২ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত বর্মা দখল করে। বর্মা স্বাধীনতা সেনাবাহিনী এবং অং সান যুদ্ধকালীন ও স্বাধীনতার সময়ের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন; এরপর মিত্রশক্তির বাহিনী ফিরে আসে এবং ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা হয়। অং সান–অ্যাটলি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি ১৯৪৭, পাংলং চুক্তি ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭ এবং নু–অ্যাটলি চুক্তি ১৭ অক্টোবর ১৯৪৭। ৪ জানুয়ারি ১৯৪৮ ইউনিয়ন অব বর্মা হিসেবে স্বাধীনতা আসে; ১৯৪৭ সালের সংবিধান এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক দলিল। ১৯৪৮ থেকে ১৯৬২ সালের সংসদীয় AFPFL যুগে কমিউনিস্ট বিদ্রোহ, জাতিগত সশস্ত্র সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও পাংলং নিয়ে পরস্পরবিরোধী ব্যাখ্যা ছিল। ২ মার্চ ১৯৬২ সামরিক অভ্যুত্থানে বিপ্লবী পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্মা সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচি দল ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনা করে। ১৯৮৮ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ১৯৮৮–১৯৯৭ সালে SLORC এবং ১৯৯৭–২০১১ সালে SPDC শাসন করে। ২০০৮ সালের সংবিধান, ২০১০ সালের নির্বাচন এবং ২০১১ সালে শুরু হওয়া উত্তরণ পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসকে প্রভাবিত করে। জাতীয় গণতন্ত্র লীগ ২০১৫ ও ২০২০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এর সামরিক অভ্যুত্থানে সংসদ স্থগিত হয় এবং গ্রেপ্তার, নাগরিক অসহযোগ আন্দোলন, জাতীয় ঐক্য সরকার, পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস এবং জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলোর চলমান সম্পৃক্ততা শুরু হয়। দেশজুড়ে পরবর্তী সশস্ত্র সংঘাত ঐতিহাসিক প্রমাণ, আর্কাইভ, স্মৃতিস্তম্ভ, বাস্তুচ্যুতি এবং বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবেশাধিকারে প্রভাব ফেলেছে। রোহিঙ্গা ও রাখাইন সম্প্রদায়ের ইতিহাসে নাগরিকত্ব, পরিচয় ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিরোধ, ২০১৭ সালের বাস্তুচ্যুতি, আন্তর্জাতিক জবাবদিহি এবং গণহত্যা বা গণহত্যার অভিপ্রায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কাচিন, শান, চিন, কায়াহ বা কারেন্নি, কায়িন বা কারেন, মোন, রাখাইন, সাগাইং, মাগওয়ে, মান্দালয়, বাগো, তানিনথারি এবং ইয়াঙ্গুনের ইতিহাস আলাদাভাবে বিবেচনা করা দরকার; এগুলোকে এক অভিন্ন জাতীয় অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। সরকারি বয়ানে রাজ্য প্রশাসন পরিষদের সময়কাল ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ থেকে ৩০ জুলাই ২০২৫; এরপর ৩১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৯ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদ; ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ও ২৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ নির্বাচন; এবং ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নতুন সরকার শুরুর কথা বলা হয়। OHCHR ও জাতিসংঘের অন্যান্য প্রতিবেদনে এই নির্বাচনগুলোকে সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও অর্থবহ অংশগ্রহণের পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়নি বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ব্যবস্থাগুলোর অবস্থান, বৈধতা ও সাংবিধানিক মর্যাদা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে; এগুলোকে বিতর্কহীন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, ব্যাখ্যা হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত। অনেক উৎসে মিয়ানমারের ইতিহাসকে বর্মার ইতিহাসও বলা হয়। মিয়ানমার ও বর্মা, আরাকান ও রাখাইন, কারেন ও কায়িন, পাগান ও বাগান, এবং আভা, ইনওয়া ও ইনওয়া—এসব নাম প্রসঙ্গভেদে ব্যবহৃত হয়; প্রতিটি যুগ বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমার্থক ধরে নেওয়া উচিত নয়। রাজকীয় ইতিহাসগ্রন্থ প্রায়ই পশ্চাৎদৃষ্টিতে বৈধতা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে লেখা। ঔপনিবেশিক গেজেট ও প্রশাসনিক প্রতিবেদন আমলাতান্ত্রিক ও বর্ণভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ প্রতিফলিত করে। পাঠ্যবই ও সরকারি ইতিহাসে বামার-কেন্দ্রিক ঐক্যের ওপর জোর থাকতে পারে; জাতিগত, মৌখিক ও প্রবাসী নথি আঞ্চলিক পাল্টা-আর্কাইভের প্রমাণ দেয়। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ শক্তিশালী হলেও তার ব্যাখ্যা খোলা থাকতে পারে। জাতিসংঘ ও OHCHR-এর প্রতিবেদন মানবাধিকার ও সংঘাতসংক্রান্ত যাচাইকৃত পর্যবেক্ষণ দেয়, মিয়ানমারের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে ইতিহাস রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়, Universities Research Journal, জাদুঘর, প্রত্নতাত্ত্বিক প্রকল্প, আর্কাইভ এবং স্থানীয় বা জাতিগত সম্প্রদায়ের সংগ্রহ অতিরিক্ত প্রমাণ দেয়; তবে ভাষা, রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার ভিন্ন হতে পারে। মিয়ানমারের জাতীয় আর্কাইভে ১৮৩৫–১৯৪৮ সালের ব্রিটিশ প্রশাসন, ১৯৪২–১৯৪৫ সালের জাপানি দখল, ১৮৫৬–১৯৩৫ সালের বর্মা প্রশাসন প্রতিবেদন, ১৮৬২ সাল থেকে Burma Gazette-এর সংখ্যা, ১৮৮০ সাল থেকে সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ১৯৪৭ সালের চুক্তি ও সমঝোতা, ১৯৪৮–১৯৭৪ সালের স্বাধীনতা-পরবর্তী নথি, ১৯২৩ সাল থেকে সংসদীয় উপকরণ এবং ১৯৪৫–২০১৫ সালের মন্ত্রিসভার কার্যবিবরণী রয়েছে। শ্রেণিবদ্ধ উপকরণ ছাড়া পাঠকক্ষ সাধারণত ব্যবহার করা যায়। কঠোরভাবে গোপনীয় নথির জন্য কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই; গোপনীয় নথি ৫০ বছর, ব্যক্তিগত নথি ৩০ বছর এবং সীমিত প্রবেশাধিকারযুক্ত নথি ২৫ বছর বন্ধ থাকে। বিদেশি গবেষকদের সাধারণত নিবন্ধন, মহাপরিচালকের অনুমতিপত্র, মূল পাসপোর্ট, দুটি ছবি এবং সুপারিশপত্র লাগে; অতিরিক্ত অনুমোদনও প্রয়োজন হতে পারে। অনুমোদনের পর বার্ষিক নির্ধারিত ফি US$30, আর প্রকাশিত খোলার সময় সোমবার থেকে শুক্রবার ১০:০০–১৬:০০; শনিবার ও রবিবার পাঠকক্ষ বন্ধ। আর্কাইভের অবস্থান ইয়াঙ্গুন ও নে পি তাউতে। অনুমোদনের সময়সীমা নির্দিষ্ট নয়। নিরাপত্তা ও সংঘাতের পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে ভ্রমণের আগে বর্তমান প্রবেশাধিকার যাচাই করা উচিত। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা পরিচালনা করে DANM এবং ধর্ম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। বাগান 20/2019 সালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অঞ্চল সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ২০১৫ সালের প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভ আইন ও তার ২০১৬ সালের বিধি, এবং ২০১৫ সালের প্রাচীন বস্তু আইন ও তার ২০১৬ সালের বিধির আওতায় সুরক্ষিত। কেন্দ্রীয়, আঞ্চলিক, জেলা ও টাউনশিপ পর্যায়ে পিউ প্রত্নস্থলগুলোর সুরক্ষা দেওয়া হয়। অনুমতি ছাড়া খনন, অপসারণ বা রপ্তানি নিষিদ্ধ; গবেষকদের সুরক্ষার শর্ত, আর্কাইভের নিয়ম এবং অনুমতির শর্ত মেনে চলতে হয়। জাদুঘর ও প্রত্নস্থলের ফি, গবেষণার অনুমতি, খননের অনুমোদন এবং স্থানীয় খোলার সময় দেশজুড়ে একই রকম নয়। স্মৃতিস্তম্ভ সংরক্ষণ, জাদুঘরের বয়ান, স্বাধীনতা দিবস, পাংলং স্মরণ, ১৯৬২, ১৯৮৮ ও ২০২১ সালের উত্তরাধিকার, রোহিঙ্গা ও রাখাইন স্মৃতি, গৃহযুদ্ধ এবং বাস্তুচ্যুতিও ঐতিহাসিক স্মৃতিকে গড়ে তোলে। বাগান, পিউ প্রত্নস্থল এবং ম্রাউক-উ শুধু প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তু নয়, জীবন্ত ধর্মীয় ও সামাজিক পরিসর। দুর্যোগ, লুটপাট, উন্নয়ন, পর্যটন, সীমিত প্রবেশাধিকার এবং রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ—কী টিকে থাকে এবং কোন ব্যাখ্যা দৃশ্যমান হয়, তা প্রভাবিত করে। তাই ভালো ইতিহাসচর্চায় তারিখ, স্থান, উৎসের উদ্দেশ্য, আঞ্চলিক কণ্ঠ এবং নথিভুক্ত প্রমাণ ও পরবর্তী ব্যাখ্যার পার্থক্য তুলনা করা দরকার।
মিয়ানমারের ইতিহাস
মিয়ানমারের ইতিহাসে মানববসতির প্রাচীন কাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সমাজ, অঞ্চল ও প্রতিষ্ঠানের বিকাশের ধারাবাহিকতা দেখা যায়। প্রত্নতত্ত্ব, শিলালিপি, আর্কাইভ, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, মৌখিক ইতিহাস এবং সম্প্রদায়ের নথি—সবই এর প্রমাণ। মিয়ানমারের অতীত একটানা, অভিন্ন জাতীয় কাহিনি নয়: পিউ, বাগান, শান, মোন, রাখাইন এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ইতিহাস রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে। অতীত ব্যাখ্যা করতে বিভিন্ন উৎসের তুলনা জরুরি, কারণ রাজকীয় ইতিহাসগ্রন্থ, ঔপনিবেশিক নথি, সরকারি বয়ান, জাতিগত আর্কাইভ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন ভিন্ন উদ্দেশ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

