ফেডারেল নির্বাচনে প্রতিনিধি সভা ও জাতীয় সভা অন্তর্ভুক্ত। প্রতিনিধি সভায় 275টি আসন: 165 জন সদস্য পৃথক নির্বাচনী এলাকা থেকে ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট ভোটে নির্বাচিত হন; 110 জন সারা দেশের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থায় বদ্ধ দলীয় তালিকা থেকে নির্বাচিত হন। বৈধ আনুপাতিক ভোটের অন্তত 3% পেলে দল আনুপাতিক আসন পায়; আসন বণ্টনে নারী, দলিত, আদিবাসী জাতিসমূহ, খাস আর্য, মাধেশি, থারু, মুসলিম এবং অনগ্রসর অঞ্চলের মানুষের অন্তর্ভুক্তির শর্তও থাকে। প্রতিনিধি সভার সাধারণ মেয়াদ সর্বোচ্চ 5 বছর, তবে আগে ভেঙে দেওয়া যেতে পারে। 5 March 2026-এ ভোটাররা 165টি নির্বাচনী এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় 164 জন দলীয় প্রার্থী ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং পাশাপাশি 110 জন আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের সদস্য নির্বাচন করেন; নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন 18,903,689 জন। জাতীয় সভা 59 সদস্যের স্থায়ী উচ্চকক্ষ; সদস্যদের মেয়াদ 6 বছর। প্রাদেশিক সভার সদস্য এবং গ্রামীণ পৌরসভা ও পৌরসভার নেতাদের নিয়ে গঠিত নির্বাচকমণ্ডলী পরোক্ষভাবে 56 জন সদস্য নির্বাচন করে। প্রতিটি প্রদেশ 8 জন সদস্য নির্বাচন করে; তাঁদের মধ্যে অন্তত 3 জন নারী, একজন দলিত এবং একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য থাকেন। সরকারের সুপারিশে রাষ্ট্রপতি 3 জন সদস্য নিয়োগ করেন, তাঁদের মধ্যে অন্তত একজন নারী। রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতিও ফেডারেল সংসদ ও প্রাদেশিক সভার সদস্যদের নির্বাচকমণ্ডলী ও ভারযুক্ত ভোটে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। প্রার্থীকে অন্তত 45 বছর বয়সী হতে হয়; দুই পদে ভিন্ন লিঙ্গ ও সম্প্রদায়ের মানুষ থাকতে হয়। প্রতিটি প্রাদেশিক সভায় মিশ্র ব্যবস্থা আছে: 60% সদস্য ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট নির্বাচনী এলাকা থেকে এবং 40% আনুপাতিক দলীয় তালিকা থেকে আসেন। স্থানীয় স্তরে ভোটাররা পৌরসভার মেয়র ও উপমেয়র, গ্রামীণ পৌরসভার চেয়ার ও উপচেয়ার এবং ওয়ার্ড চেয়ার সরাসরি নির্বাচন করেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে আরও 4 জন সদস্য নির্বাচিত হন, তাঁদের মধ্যে 2 জন নারী ও একজন দলিত নারী। দলকে পৌরসভার মেয়র ও উপমেয়র, অথবা গ্রামীণ পৌরসভার চেয়ার ও উপচেয়ার—প্রতিটি জোড়া পদের জন্য অন্তত একজন নারী মনোনয়ন দিতে হয়। জেলা সমন্বয় কমিটি স্থানীয় স্তরের প্রতিনিধিরা পরোক্ষভাবে নির্বাচন করেন। নির্বাচন কমিশন প্রধান ও জেলা নির্বাচন কার্যালয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কাজ করে। সাধারণত জেলা নির্বাচন কার্যালয়, জেলা প্রশাসন কার্যালয় এবং ঘোষিত ভ্রাম্যমাণ দলের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন চলমান থাকে। নাগরিকত্ব সনদ, ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য লাগে; অনলাইন প্রাক-নিবন্ধনের পর পরিচয় ও বায়োমেট্রিক রেকর্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হয়। একজন ভোটার কেবল একটি নির্বাচনী এলাকায় নিবন্ধিত হতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকা বা ওয়ার্ডে স্থায়ী বাসস্থান থাকতে হয়। স্থানান্তর বা বিয়ের নথিসহ ভোটার তালিকা সংশোধনের আবেদন করা যায়। নথিভুক্ত বর্তমান ব্যবস্থায় নেপালের বাইরে বসবাসকারী নাগরিকদের নিয়মিত বিদেশ থেকে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া নেই; নির্বাচন কমিশনের তথ্য নেপালে থাকাকালীন নিবন্ধনের কথা বলে। ভোট গোপন। নির্বাচনভেদে ভোটার নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের দলীয় প্রতীকে চিহ্ন দেন। নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষ ও নির্বাচনী কর্মসূচি নির্ধারণ করে। সাধারণত ভোটার পরিচয়পত্র ব্যবহৃত হয়; তবে নাম ভোটার তালিকায় থাকলে আসল নাগরিকত্ব সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা জমির মালিকানা সনদও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ইলেকট্রনিক ভোটিং নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে নথিভুক্ত নয়। ভোটের আগের 48 ঘণ্টা থেকে ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়া পর্যন্ত প্রচার নিষিদ্ধ। দল ও প্রার্থীকে প্রযোজ্য আচরণবিধি মানতে, প্রচারের আয় ও ব্যয় প্রকাশ করতে এবং বর্তমান ECN নিয়ম যেখানে চায় সেখানে আলাদা ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করতে হয়। 2026 সালের প্রতিনিধি সভা নির্বাচনে এলাকার ভিত্তিতে ব্যয়ের সীমা আনুমানিক NPR 25–33 লাখ ছিল; ফলের 35 দিনের মধ্যে ব্যয়ের বিবরণ দেওয়ার কথা ছিল। ECN মনোনয়ন যাচাই, আপত্তি নিষ্পত্তি এবং চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা, নির্বাচনী প্রতীক ও ফল প্রকাশ করে। স্বীকৃত পর্যবেক্ষক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, তবে হস্তক্ষেপ বা ECN-এর আগে ফল প্রকাশ করতে পারেন না। অনুমোদিত প্রার্থী বা গণনা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তারা ব্যালটের উপকরণ যাচাই ও ভোট গণনা করেন। ফেডারেল ও প্রাদেশিক নির্বাচনী বিরোধ প্রাসঙ্গিক আইনে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে নেওয়া হয়; আচরণবিধির অভিযোগ মৌখিক, লিখিত বা ইলেকট্রনিকভাবে ECN, প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচন কার্যালয় বা জেলা পর্যবেক্ষণ সংস্থায় দেওয়া যায়। ভোট কেনা, ভোটারকে প্রভাবিত করার উপহার বা আপ্যায়ন, ভয় দেখানো, একাধিক ভোট, অন্যের হয়ে ভোট, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য নিষিদ্ধ। ECN-এর মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন ও ভোট দিতে ভোটার ফি লাগে না। নির্বাচনী কর্মসূচিতে মনোনয়ন, তালিকা, আপত্তি, প্রত্যাহার ও ভোটের তারিখ নির্ধারিত হয়। প্রতিনিধি সভার চূড়ান্ত ফলের 30 দিনের মধ্যে ফেডারেল সংসদ আহ্বান করতে হয়। স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে রাষ্ট্রপতি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ গোষ্ঠী থেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন; কোনো দলের স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে অন্তত দুই দলের সমর্থন ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তি দেখাতে সক্ষম একজন সদস্যকে নিয়োগ করতে পারেন। নিয়োগের 30 দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে আস্থা ভোট পেতে হয়; সাংবিধানিক ধাপগুলো ব্যর্থ হলে সংসদ ভেঙে 6 মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন হতে পারে।
নেপালে নির্বাচন
নেপাল ফেডারেল প্রজাতন্ত্রে ফেডারেল, প্রাদেশিক ও স্থানীয় স্তরে নির্বাচন হয়। নির্বাচন কমিশন নেপাল (ECN) ভোটার নিবন্ধন, প্রার্থী ও দল নিবন্ধন, ভোটগ্রহণ, গণনা এবং ফল প্রকাশ পরিচালনা করে। ভোটারের সাধারণত নেপালি নাগরিকত্ব, কমপক্ষে 18 বছর বয়স এবং ভোটার তালিকায় নাম থাকা দরকার।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

