নেপালের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাংবিধানিক সরকার, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রশাসন একসঙ্গে কাজ করে। ২০১৫ সালের সংশোধিত সংবিধান ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কাঠামো নির্ধারণ করে এবং নেপালকে সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমাজতন্ত্রমুখী হিসেবে বর্ণনা করে। কর্তৃত্ব ফেডারেল সরকার, সাতটি প্রাদেশিক সরকার এবং ৭৫৩টি স্থানীয় স্তরের মধ্যে বণ্টিত; এটি একটি জাতীয় প্রশাসনে কেন্দ্রীভূত নয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি সিদ্ধান্তের আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করে। আদালত বিচারিক কাজ করে, সরকারি সংস্থাগুলো পরিষেবা ও সরকারি তহবিল পরিচালনা করে, তদারকি প্রতিষ্ঠান কর্তৃত্বের প্রয়োগ পরীক্ষা করে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করে। ফেডারেল, প্রাদেশিক ও স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব গঠনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হলো নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন নেপাল, যা সাধারণত ECN নামে পরিচিত, ভোটার নিবন্ধন, প্রার্থী ও দলের নিবন্ধন, ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা এবং ফল প্রকাশ পরিচালনা করে। ভোটারদের সাধারণত নেপালি নাগরিক হতে হয়, কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হয় এবং ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হয়। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার দিকটি কর্তৃত্ব ও প্রতিষ্ঠান কীভাবে সংগঠিত, তা নিয়ে; আর নির্বাচনের দিকটি অংশগ্রহণ, প্রার্থী, ভোটদান ও ফল নির্ধারণ নিয়ে।
নেপালে রাজনীতি
নেপালের রাজনীতি ২০১৫ সালের সংশোধিত সংবিধান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমাজতন্ত্রমুখী ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়। রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ফেডারেল সরকার, সাতটি প্রাদেশিক সরকার এবং ৭৫৩টি স্থানীয় স্তরের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। নির্বাচন নাগরিকদের এই স্তরগুলোর সঙ্গে যুক্ত করে; আর জনপ্রশাসন, আদালত, সরকারি অর্থব্যবস্থা, তদারকি সংস্থা এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো রাষ্ট্রীয় কাজ সম্পাদন করে।
VivAVia can make mistakes. Check important information.

